মৃতের সংখ্যা ৯৫ হাজার একইসঙ্গে আক্রান্ত ১৬ লাখ!



স্থান বেধে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা 

  • ঢাকা সিটির তথ্য
  • উত্তরা ১৬
  • ধানমন্ডি ১৩
  • বাসাবো ১১
  • মিরপুর ১ নম্বর ১১
  • ওয়ারী ১০
  • মোহাম্মদপুর 
  • লালবাগ 
  • টোলারবাগ 
  • যাত্রাবাড়ী 
  • গুলশান 
  • মিরপুর ১১ নম্বর 
  • উত্তর টোলারবাগ 
  • বংশাল 
  • আজিমপুর 
  • জিগাতলা 
  • গ্রিন রোড 
  • হাজারীবাগ 
  • চকবাজার 
  • বাবু বাজার 
  • সোয়ারীঘাট 
  • বেইলী রোড 
  • বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা 
  • মিরপুর ১০ নম্বর 
  • শাহবাগ 
  • ইসলামপুর 
  • লক্ষ্মীবাজার 
  • পুরানা পল্টন 
  • মগবাজার 
  • বাড্ডা 
  • মহাখালী 
  • তেজগাঁও 
  • শাহ আলীবাগ 
  • পীরেরবাগ 
  • আগারগাঁও 
  • হাতিরপুল 
  • শান্তিনগর 
  • মিরপুর ১২ নম্বর 
  • আদাবর 
  • বসিলা 
  • সেন্ট্রাল রোড 
  • বুয়েট এলাকা 
  • উর্দু রোড 
  • নারিন্দা 
  • কোতয়ালী 
  • ইস্কাটন 
  • রামপুরা 
  • শাজাহানপুর 
  • নিকুঞ্জ 
  • আশকোনা 
  • কাজীপাড়া 
  • মিরপুর ১৩ নম্বর 
  • বনানী 
  • দয়াগঞ্জ 
  • ধোলাইখাল 
  • শনির আখড়া 
  • মুগদা 
  • রাজারবাগ 
  • হাতিরঝিল 
  • মানিকদী 
  • বেড়িবাঁধ 
  • বেগুনবাড়ী 
  • «»
  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ঢাকা ২০৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৫৯
  • মাদারীপুর ১১
  • চট্টগ্রাম 
  • গাইবান্ধা 
  • কুমিল্লা 
  • নরসিংদী 
  • ময়মনসিংহ 
  • জামালপুর 
  • মানিকগঞ্জ 
  • গাজীপুর 
  • রংপুর 
  • শেরপুর 
  • টাঙ্গাইল 
  • চুয়াডাঙা 
  • কক্সবাজার 
  • মৌলভীবাজার 
  • শরীয়তপুর 
  • সিলেট 
  • কিশোরগঞ্জ 
  • নীলফামারী 
  • রাজবাড়ী 
  • «»
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ 


প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা ৯৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। একইসঙ্গে আক্রান্তের সংখ্যাও ১৬ লাখ ছুঁয়েছে। ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯৫ হাজার ৫২৬ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিন লাখ ৫৫ হাজার ৪৮০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। এই সময়ে দেশটিতে মারা গেছেন এক হাজার ৭২৪ জন। এরপরই রয়েছেফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, স্পেন ও ইতালি।


ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রে মারা গেছেন এক হাজার ৭২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৫১২ জনে। এদিন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার ৩১৩ জন।

তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত ৪ লাখ ৬৫ হাজার ২৪০ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। প্রতিদিন এই সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়েছে।

ফ্রান্সে এরই মধ্যে মৃতের সংখ্যা ১২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। অপরদিকে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় এক লাখ ২০ হাজার। ইউরোপের এই দেশটি এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যায় বিশ্বের চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে।

ফ্রান্সে এখন পর্যন্ত এক লাখ ১৭ হাজার ৭৪৯ জন প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে এবং মারা গেছে ১২ হাজার ২১০ জন। অপরদিকে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছে ২৩ হাজার ২০৬ জন।

তবে করোনায় আক্রান্ত ৭ হাজার ৬৬ জনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক। ফ্রান্সে বুধবার নতুন করে ১৩৪১ জন মারা গেছেন। নতুন আক্রান্ত ৪ হাজার ৭৯৯ জন।

যুক্তরাজ্যে করোনার প্রকোপ প্রতিদিনই বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে মৃত্যুর মিছিলে সামিল হয়েছেন আরও অন্তত ৮৮১ জন। এ নিয়ে সেখানে মোট মৃতের সংখ্যা প্রায় আট হাজার ছুঁয়েছে। সব মিলিয়ে সেখানে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৯৮৪ জন।

যুক্তরাজ্যে এপর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬৫ হাজার জনেরও বেশি। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন অন্তত ৩৫১ জন।

একদিন আগেই স্পেনে ৭৪৭ জনের প্রাণ কেড়ে নেয় করোনাভাইরাস। তবে বৃহস্পতিবারের হিসাব অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে মারা গেছে ৬৫৫ জন। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িছে ১৫ হাজার ৪৪৭ জন।

জার্মানিতে আগের দিনের মৃতের সংখ্যা ছিল ৩৩৩ জন। তবে আজকের হিসাব অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে ১৮০ জন। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িছে ২ হাজার ৫২৯ জন।

এদিকে আগের দিনের তুলনায় ইতালিতে মৃতের সংখ্যা বেড়েছে। একদিন আগে দেশটিতে ৫৪২ জনের মৃত্যু হলেও গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছে আরও ৬১০ জন। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িছে ১৮ হাজার ২৭৯ জন।

বাংলাদেশে এ পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩০ জন  এবং মৃত্যুর সংখ্যা ২১ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন সর্ববমোট ৩৩ জন।

গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহুরে প্রথম করোনাভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। এরপর থেকেই তা সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপের দেশগুলোতে সবচেয়ে বেশি তাণ্ডব চালাচ্ছে করোনা ভাইরাস।

লেখক নিজস্ব প্রতিবেদক

মো. রাফছান একজন লেখক, কলামিস্ট, সংগঠক ও গ্রাফিক্স ডিজাইনার। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্স-এর শিক্ষার্থী এবং তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, চবি-র প্রতিষ্ঠাতা ও উপদেষ্টা। সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে তরুণদের সঙ্গে কাজ করছেন। সঠিক তথ্য, সচেতনতা এবং সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সমতা ও মানবিকতা-ভিত্তিক সমাজ গড়াই তাঁর মূল উদ্দেশ্য।

0 Comments:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

যেকোনো সময়, যে কোনো মুহুর্তে যে কোনো দেশের সাহিত্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা, চিকিৎসা, খেলাধুলা বিষয়ে সবার আগে জানতে আমাদের সাথে কানেক্টেড থাকুন। - ধন্যবাদ