বিচারহীন আত্মহত্যাই ধর্ষিতার অন্তীম পরিণতি

বিচারহীন আত্মহত্যাই ধর্ষিতার অন্তীম পরিণতি 

র্বত্রই চলছে কাঁদা ছোঁড়াছুড়ি, একদল খাচ্ছে, নাম পড়ছে অন্য জনের। হালের হিসেবে জিহ্বা বসাচ্ছে নাম না জানা অপরিচিত কেউ। চুরি, লুটপাটে ঘর পূর্ণ করে একেকজন বলে,  অ্যাঁ চোরই দেখিনি। 

দক্ষিণে লুটতরাজ, বামে ধর্ষণ, পশ্চিমে কূপিয়েছে কেউ। না, কেউ দেখেনি, প্রতিবাদ করেনি, নিরাপদ দূরত্বে বুলি আওড়িয়েছে আরও অনেকেই। ঘাতকের বিচার অব্ধি পৌঁছায়নি ফেইসবুক জুড়ে আলোচনা-সমালোচনার প্রতিবাদ প্রবাহ। সমাবেশ, প্রতিরোধ ,প্রতিবাদ, মানবতা, আইনকে উপেক্ষা করেই পত্রিকাগুলোর নিত্য নতুন চমৎকৃত বাংলা টাইটেলের মত করে নিত্যদিনই ঘটে চলেছে ধর্ষণ, লুটতরাজ, হত্যার মত অঘটন কিংবা কোন অবাঞ্ছিত ঘটনা।

ফাইল ছবি: ধর্ষিত অসহায় নারী

গেল কয়েক মাসে ১০০ এরও বেশি নারী এবং শিশু ধর্ষিত হয়েছে । কিন্তু সে অনুপাতে বিচার পেয়েছে কজন? কিংবা আদ্বব্ধি হয়ে আসা ধর্ষণেরই বা কজন প্রাপ্য সাজা পেয়েছে? খুব স্বাভাবিক, এই হিসেবটা কোনদিনই মিলেনি আর মিলবেও না। 

বোরকায় আটকাচ্ছে না ধর্ষণের পরিধি, একই হারে লাগামহীন ভাবে বেড়েই চলেছে শিশু ধর্ষণও। দেশ  হয়েছে ঠিকই, কিন্তু স্বাধীনতার ৪৯ বছরেও মানুষ নিজের করে পায়নি প্রত্যাশিত বৈর্ধ অধিকার। ধর্ষণ মহামারিতে দিনের পর দিন বিষিয়ে যাচ্ছে এই মুমূর্ষু  বাঙালী। সরকার, আইন, রক্ষক পকেটে রেখে এক ধর্ষকেই কাটা পড়ে নিরাপত্তার মত মৌলিক অধিকার। একটা মেয়ের নিরাপত্তা নেই পরিবারে, রাস্তায়, বাসে কিংবা কোন কর্মপ্রতিষ্ঠানেও। অরাজকতার এই ধর্ষিত দেশের সর্বত্রই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ধর্ষর্কের বিষাক্ত চোখ। সমস্যাটা আসলে ঠিক কোথায়? এত কিছুর পরেও কেন ধর্ষণের কমানো সম্ভব হচ্ছে না? কিংবা ধর্ষণ রোধে আমাদের করণীয়টা কী?

আমার চোখে ধর্ষণের মূল কারন ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আইনের দুর্বলতা। হ্যাঁ, ক্ষমতার বলেই পুরষ কর্তৃক ধর্ষিত হয় একজন নারী কিংবা মেয়ে। কারন সে খুব ভালো করেই জানে, ক্ষমতার বলে আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে একদিন ঠিকই সে বেড়িয়ে যাবে। সর্বদাই একজন ক্ষমতাবান লোক দ্বারা ধর্ষিত হয় অপেক্ষাকৃত কোন দুর্বল প্রতিপক্ষ। সাংসদীয় আত্মীয় কিংবা দেশ পরিচালনায় পরিবারের কারো উল্লেখযোগ্য অবস্থানঅর্থ সম্পত্তির প্রাচুর্য্য একজনকে ক্ষমতাবান বানিয়ে দেয়, সেই ক্ষমতার ব্যবহারেই ধর্ষক পূর্ণ করে তার অনৈতিক জৈবিক চাহিদা। বিপরীতে অসহায়ত্বের শেকলে আটকে থাকা ধর্ষিতার কপালে জুটে এর চেয়েও বড় সর্বনাশের পূর্বাভাষ। অর্থের দৌরাত্ম্যে বিচারহীন আত্মহত্যা হয় অনেক ধর্ষিতার অন্তীম পরিণতি।

একজন ক্ষমতাবান নারী, ধর্ষকের কাছে আতঙ্কের মত। ধর্ষণ তো দূরে থাক, তাকে ধর্ষকরা সমীহ করে, কারন তারা জানে তার ক্ষমতার ব্যবধি তাদের ঠিক কোথায় নিয়ে যেতে পারে। 


নীতিটা খুব সাধারণ, "অপেক্ষাকৃত দুর্বলেরা ধর্ষিত, নিপিড়িত, নির্যাতিত  হবে।" শোষণের নীতি রপ্ত করে শাসকের মত ধর্ষকরাও ন্যায়নীতি পায়ে ঠেলে ইংরেজ কিংবা পাকিস্তানি বর্বরদের মত দুর্বলের উপর হামলে পরে।

 
কারন, এই দেশে আইন থাকলেও আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন নেই। যেদেশে একজন সাংসদীয় ব্যক্তির হত্যাকান্ডে জড়ীতদের বিচার হতে দুই যুগেরও বেশি সময় চলে যায় সে দেশে ধর্ষণের বিচার কার্যকর হতে পাঁচ, ছয় যুগ এমনিতেই পেরিয়ে যাবে। ক্ষমতা আর আইনের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে দিনেরপর দিন জ্যামিতিক হারে বেড়েই চলেছে ধর্ষণের এই নিদারুণ নৈরাজ্য।   

ধর্ষকের কোন জাতি নেই, কোন পরিচয় নেই! ধর্ষক হলো, হালের এই কঠিন কালে জন্ম নেওয়া মানুষরূপী বিষধর নর দানব। ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের ঘোষণাকে সাধুবাদ জানাই। এরই সাথে  স্বল্পতম সময়ে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য আহ্বান করছি। ধর্ষক প্রমাণিত হওয়ার পরিপেক্ষিতে, ১ থেকে সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করতে পারলে অচীরেই ধর্ষণের হার অনেকাংশে কমে আসবে। আইনি জটিলতায় ধর্ষকের বিচার যেন আটকে না যায় সে ব্যাপারে সার্বক্ষণিক নজরদারী সহ বিশেষ ট্রাইবুনালে বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে।

তুমি নিপিড়িত, অত্যাচারিত, নিগৃহীত, ধর্ষিত হলে, কেবল  ক্ষমতায়িত হওয়ার পরই তুমি বিচার পেতে পার, কিংবা প্রতিপক্ষকে দাঁড়া করাতে পার হিসেবের কাঠগড়ায় । মাটির উপরে তোমার নিরাপত্তা নেই মেয়ে, যদি পার প্রতিরোধ কর। নিজেকে রক্ষায় নিজের সর্বোচ্চটুকু দাও, ধর্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে সশস্ত্রে রুখে দাড়াও। একজন ধর্ষক মরে গেলে দেশের কোনকিছু আসবে যাবে না, তবে তোমাকে কিন্তু পৃথিবীর ভীষণ প্রয়োজন।

লেখক: মো. রাফছান আহমেদ
শিক্ষার্থী, মেরিন সায়েন্স, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় 
মোবাইল: 01859569175

অপেক্ষাকৃত দুর্বলেরা ধর্ষিত, নিপিড়িত, নির্যাতিত হবে!

বিচারহীন আত্মহত্যাই ধর্ষিতার অন্তীম পরিণতি 

র্বত্রই চলছে কাঁদা ছোঁড়াছুড়ি, একদল খাচ্ছে, নাম পড়ছে অন্য জনের। হালের হিসেবে জিহ্বা বসাচ্ছে নাম না জানা অপরিচিত কেউ। চুরি, লুটপাটে ঘর পূর্ণ করে একেকজন বলে,  অ্যাঁ চোরই দেখিনি। 

দক্ষিণে লুটতরাজ, বামে ধর্ষণ, পশ্চিমে কূপিয়েছে কেউ। না, কেউ দেখেনি, প্রতিবাদ করেনি, নিরাপদ দূরত্বে বুলি আওড়িয়েছে আরও অনেকেই। ঘাতকের বিচার অব্ধি পৌঁছায়নি ফেইসবুক জুড়ে আলোচনা-সমালোচনার প্রতিবাদ প্রবাহ। সমাবেশ, প্রতিরোধ ,প্রতিবাদ, মানবতা, আইনকে উপেক্ষা করেই পত্রিকাগুলোর নিত্য নতুন চমৎকৃত বাংলা টাইটেলের মত করে নিত্যদিনই ঘটে চলেছে ধর্ষণ, লুটতরাজ, হত্যার মত অঘটন কিংবা কোন অবাঞ্ছিত ঘটনা।

ফাইল ছবি: ধর্ষিত অসহায় নারী

গেল কয়েক মাসে ১০০ এরও বেশি নারী এবং শিশু ধর্ষিত হয়েছে । কিন্তু সে অনুপাতে বিচার পেয়েছে কজন? কিংবা আদ্বব্ধি হয়ে আসা ধর্ষণেরই বা কজন প্রাপ্য সাজা পেয়েছে? খুব স্বাভাবিক, এই হিসেবটা কোনদিনই মিলেনি আর মিলবেও না। 

বোরকায় আটকাচ্ছে না ধর্ষণের পরিধি, একই হারে লাগামহীন ভাবে বেড়েই চলেছে শিশু ধর্ষণও। দেশ  হয়েছে ঠিকই, কিন্তু স্বাধীনতার ৪৯ বছরেও মানুষ নিজের করে পায়নি প্রত্যাশিত বৈর্ধ অধিকার। ধর্ষণ মহামারিতে দিনের পর দিন বিষিয়ে যাচ্ছে এই মুমূর্ষু  বাঙালী। সরকার, আইন, রক্ষক পকেটে রেখে এক ধর্ষকেই কাটা পড়ে নিরাপত্তার মত মৌলিক অধিকার। একটা মেয়ের নিরাপত্তা নেই পরিবারে, রাস্তায়, বাসে কিংবা কোন কর্মপ্রতিষ্ঠানেও। অরাজকতার এই ধর্ষিত দেশের সর্বত্রই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ধর্ষর্কের বিষাক্ত চোখ। সমস্যাটা আসলে ঠিক কোথায়? এত কিছুর পরেও কেন ধর্ষণের কমানো সম্ভব হচ্ছে না? কিংবা ধর্ষণ রোধে আমাদের করণীয়টা কী?

আমার চোখে ধর্ষণের মূল কারন ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আইনের দুর্বলতা। হ্যাঁ, ক্ষমতার বলেই পুরষ কর্তৃক ধর্ষিত হয় একজন নারী কিংবা মেয়ে। কারন সে খুব ভালো করেই জানে, ক্ষমতার বলে আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে একদিন ঠিকই সে বেড়িয়ে যাবে। সর্বদাই একজন ক্ষমতাবান লোক দ্বারা ধর্ষিত হয় অপেক্ষাকৃত কোন দুর্বল প্রতিপক্ষ। সাংসদীয় আত্মীয় কিংবা দেশ পরিচালনায় পরিবারের কারো উল্লেখযোগ্য অবস্থান, অর্থ সম্পত্তির প্রাচুর্য্য একজনকে ক্ষমতাবান বানিয়ে দেয়, সেই ক্ষমতার ব্যবহারেই ধর্ষক পূর্ণ করে তার অনৈতিক জৈবিক চাহিদা। বিপরীতে অসহায়ত্বের শেকলে আটকে থাকা ধর্ষিতার কপালে জুটে এর চেয়েও বড় সর্বনাশের পূর্বাভাষ। অর্থের দৌরাত্ম্যে বিচারহীন আত্মহত্যা হয় অনেক ধর্ষিতার অন্তীম পরিণতি।

একজন ক্ষমতাবান নারী, ধর্ষকের কাছে আতঙ্কের মত। ধর্ষণ তো দূরে থাক, তাকে ধর্ষকরা সমীহ করে, কারন তারা জানে তার ক্ষমতার ব্যবধি তাদের ঠিক কোথায় নিয়ে যেতে পারে। 


নীতিটা খুব সাধারণ, "অপেক্ষাকৃত দুর্বলেরা ধর্ষিত, নিপিড়িত, নির্যাতিত  হবে।" শোষণের নীতি রপ্ত করে শাসকের মত ধর্ষকরাও ন্যায়নীতি পায়ে ঠেলে ইংরেজ কিংবা পাকিস্তানি বর্বরদের মত দুর্বলের উপর হামলে পরে।

 
কারন, এই দেশে আইন থাকলেও আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন নেই। যেদেশে একজন সাংসদীয় ব্যক্তির হত্যাকান্ডে জড়ীতদের বিচার হতে দুই যুগেরও বেশি সময় চলে যায় সে দেশে ধর্ষণের বিচার কার্যকর হতে পাঁচ, ছয় যুগ এমনিতেই পেরিয়ে যাবে। ক্ষমতা আর আইনের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে দিনেরপর দিন জ্যামিতিক হারে বেড়েই চলেছে ধর্ষণের এই নিদারুণ নৈরাজ্য।   

ধর্ষকের কোন জাতি নেই, কোন পরিচয় নেই! ধর্ষক হলো, হালের এই কঠিন কালে জন্ম নেওয়া মানুষরূপী বিষধর নর দানব। ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের ঘোষণাকে সাধুবাদ জানাই। এরই সাথে  স্বল্পতম সময়ে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য আহ্বান করছি। ধর্ষক প্রমাণিত হওয়ার পরিপেক্ষিতে, ১ থেকে সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করতে পারলে অচীরেই ধর্ষণের হার অনেকাংশে কমে আসবে। আইনি জটিলতায় ধর্ষকের বিচার যেন আটকে না যায় সে ব্যাপারে সার্বক্ষণিক নজরদারী সহ বিশেষ ট্রাইবুনালে বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে।

তুমি নিপিড়িত, অত্যাচারিত, নিগৃহীত, ধর্ষিত হলে, কেবল  ক্ষমতায়িত হওয়ার পরই তুমি বিচার পেতে পার, কিংবা প্রতিপক্ষকে দাঁড়া করাতে পার হিসেবের কাঠগড়ায় । মাটির উপরে তোমার নিরাপত্তা নেই মেয়ে, যদি পার প্রতিরোধ কর। নিজেকে রক্ষায় নিজের সর্বোচ্চটুকু দাও, ধর্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে সশস্ত্রে রুখে দাড়াও। একজন ধর্ষক মরে গেলে দেশের কোনকিছু আসবে যাবে না, তবে তোমাকে কিন্তু পৃথিবীর ভীষণ প্রয়োজন।

লেখক: মো. রাফছান আহমেদ
শিক্ষার্থী, মেরিন সায়েন্স, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় 
মোবাইল: 01859569175

Invite all frieds to your Facebook Group

Invite your all friends to your facebook group


You want to add all your friends to your facebook group , right? We can invite multiple Facebook friends to join a Facebook Group by using a free Chrome extension called Social Media Toolkit .


Using this tool you will be able to automate the process of inviting multiple Facebook friends to join a Facebook group and add all friends as a group member.


Social Media Toolkit is a free to use browser extension that can help you to invite multiple Facebook friends to a join a Facebook group.


Make sure that you have Social Media Toolkit installed on your Chrome web browser, if not then use the download button given below to download


Click to Download Social Media Toolkit


Requirements for using this software


1. You must have Google Chrome or Chromium or similar web browser installed on your device to install Chrome extensions.
2.For Chrome extension to work effectively, your Facebook language must be set to english.
3.To use this Chrome extension you must be signed into your Facebook profile.
4.You must be signed into your Facebook profile to make sure that all functionality provided in the software is available to you.


Steps to invite multiple friends to a Facebook group

After you have installed the software you must follow simple steps given below:


1. Click on Chrome extension icon.
2. A popup window will be opened.
3. Click on appropriate button to start the tool.
4. After following above steps a tool will be opened in a new tab.
5. Select friends you want to invite.
6.Select appropriate time interval between requests to avoid getting banned.
7.;Click on submit button.
8. After clicking on submit button, tool will start the process of inviting selected friends.


Finally, You will notice information about various events in the event log. If you found this guide confusing or if there is a bug in the software then feel free to comment below and our support staff will assist you.


Disclaimer

While using this software, you must make sure that you are not going too fast. Make sure that you are using appropriate delay time intervals between each requests. Also make sure that whatever action you are about to perform using this software does not go against Facebook terms of service or privacy policy.


This software allows you to set custom random time interval between each requests preventing you from sending too many requests at once. This website is not affiliated with or endorsed by Facebook or its partners. Software tools documented on this website are not controlled by us, we advise all users to do their own research validate their safety before using them.

6 Things you should do to secure your Facebook Account

Facebook’s privacy settings have recently undergone a massive change since Facebook’s privacy scandals have been in the news.  The most recent change was implemented in response to the Cambridge Analytica scandal, where the political consulting firm improperly used the data of roughly 87 million Facebook users while working for Donald Trump’s election campaign.



Since the scandal broke, Facebook users have made an effort to improve their privacy.  According to the Pew Research Center, more than half of users have changed their privacy settings in the six months directly following the scandal.  Additionally, four out of 10 users have taken a break from Facebook, and 25% of users deleted the Facebook app from their smartphone.

Here are some easy but significant changes to make in your Facebook privacy settings to help you take control of your account.

1. Remove Personal Information

When you signed up for Facebook, you were prompted to fill out your profile with information like your  phone number, hometown, what school you went to, etc.  You might have added all of this without thinking too much about it, or thinking that it might help friends find you.

Instead, people can use this information to steal your identity.  For example, it’s easy for a hacker to figure out your high school mascot if your high school is right there on your profile, and then fill out security questions to hack into your bank account.  It’s also possible that Facebook filled in this information based on your photos and posts, without you entering it in yourself.


Remove this information in your Facebook privacy settings by going to your profile and clicking “About”, underneath your name and timeline photo.  Work your way through each section until your information is deleted.


When you click on each section on the left, you will be able to delete each piece of information by clicking on ‘options’ next to the lock picture on the right.



You also probably used your real email address when you signed up, and maybe also your phone number.  When you use your real email and phone number, Facebook and advertisers can connect your account to your email and other accounts.  Replace your email on Facebook with a ‘masked’ email address from Blur.  Then, change your Facebook password with a strong password generated by Blur.  If you’re using repeat passwords for different accounts, it’s easier for hackers to guess them.  By using a unique strong password for each site, you protect yourself from this kind of guesswork.  And don’t worry, Blur has a password manager service to help you keep track!


You should also make sure that your email is limited to Friends and hidden from your Timeline – this way, nobody can see it.

2. Control who can see your information

First, you will want to go through your friends list and make sure that you know everyone there.  Remember, these people can see everything that you post, so make sure that you have a reasonable level of trust with them. Be on the lookout for bot and impostor accounts sending you friend requests.




On your Facebook profile to the right of your name, click ‘View As’. This will allow you to see what is public on your profile- i.e. what a person would see if they were not your ‘Friend’. This will allow you to make sure that you are not sharing anything publicly that you don’t want to.


3. Limit Your Audience in Facebook Privacy Settings


Go to your Facebook Privacy Shortcuts and click “See more privacy settings” at the bottom of the first list.


Here, you can make sure that only people you know can see your posts.  First, make sure that only Friends can see your future posts (the top line).  Next, make sure that your only Friends can see your past posts by clicking “Limit Past Posts”.

You can reduce unwanted friend requests by making sure that only ‘Friends of friends’ may contact you (the fourth line).


4. Control Tagging

From the privacy shortcuts page in the left bar, click on ‘Timeline and Tagging’.  Make sure that only ‘Friends’ can post and see things that others have posted on your Timeline. 


You will also want to make sure that only Friends can see things that you’ve been ‘tagged’ in, i.e., something that somebody else has posted about you.  Add an extra layer of security by turning on ‘Review’- this way, you will be able to review something that a friend has tagged you in, before it shows up on your Timeline.

5. Remove Your Activity Data

You can edit your activity record so Facebook will no longer have a detailed log of your account activity.  Go to your activity log and delete unwanted record.

Pro tip: use the Social Book Post Manager extension on Google Chrome to automate the process.  Your posts won’t be actually deleted, but Facebook will no longer have a detailed log of your activity.

6. Protect Yourself on Messenger

If you have your contacts synced on your Facebook Messenger app, Facebook might have access to your call and text message history.  To turn this off, go to messenger and click on your profile picture on the top left.  Then click ‘People’ in the menu, and turn of Upload Contacts’. Facebook Privacy Settings Can Keep You Safe




We rely on Facebook for so many things – staying in touch with friends, finding events in our communities, or even networking to find jobs or roommates.  These tips can help you stay safe, without giving up your Facebook account. Your privacy is just that, yours. You shouldn’t have to give away all of your personal data just because a company suggests that you should. 

Finally, if you just want to delete your Facebook account, check out our how-to post for step-by-step instructions.

এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল, জেএসসি-এসএসসি মূল্যায়নে ফল

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে এবার উচ্চমাধ্যমিক তথা এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। জেএসসিএসএসসি পরীক্ষার ফল মূল্যায়ন করেই এইচএসসির ফলাফল নির্ধারণ করা হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।


বুধবার (৭ অক্টোবর) এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এসব কথা বলেন।



এ সময় উপস্থিত ছিলেন- শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহাবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হকসহ সকল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ‘এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে পরীক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তাদের কাছে আমরা মতামত ও পরামর্শ নিয়েছি। পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে বিশ্বের অনেক দেশের পরিস্থিতি দেখে আমরা ২০২০ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সরাসরি পরীক্ষা বাতিল করে পরীক্ষার্থীদের জেএসসি-জেডিসি এবং এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ওপর মূল্যায়ন করে গ্রেড নম্বর নির্ধারণ করা হবে।


শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কী পদ্ধতিতে গ্রেড নির্ধারণ করা হবে সেটি নির্ধারণ ও পরামর্শের জন্য সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, শিক্ষা বোর্ড ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করা হবে। তাদের আগামী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রতিবেদন দিতে বলা হবে। এর ভিত্তিতে ডিসেম্বরে এইচএসসি-সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

অনেকে এক, দুই বিষয়ে বা পুরো ফলাফল আশানুরূপ না হওয়ায় পুনরায় পরীক্ষা দেয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল, তাদের ক্ষেত্রে কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে এমন প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সকল শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে একইভাবে মূল্যায়ন করে তাদের গ্রেড নম্বর দেয়া হবে। তবে কীভাবে তা দেয়া হবে তা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফল খারাপ হলেও এইচএসসি পরীক্ষায় অনেকে ভালো প্রস্তুতি নিয়েছিল তাদের ক্ষেত্রে কী হবে এমন প্রশ্নের উত্তরে দীপু মনি বলেন, ‘কী করার ছিল, কি ছিল না তা ভেবে লাভ নেই। সারাবিশ্বে এখন বেঁচে থাকার লড়াই চলছে, এর মধ্যে পরীক্ষা নিয়ে আমরা কাউকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে চাই না। এসব বিষয় বিবেচনা করে আমরা আগের ফলাফলের ভিত্তিতে এইচএসসি-সমমান পরীক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘সরাসরি পরীক্ষা না নিলেও আমরা আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করতে কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ফল প্রকাশের পর দেশ-বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে শিক্ষার্থীদের কোনো সমস্যায় পড়তে হবে না। তবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কী পদ্ধতিতে ভর্তি করা হবে সেই বিষয়েও টেকনিক্যাল কমিটির কাছে পরামর্শ নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।’

এবার এইচএসসি-সমমান পরীক্ষায় ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৬৮৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণের কথা ছিল। এর মধ্যে নিয়মিত ১০ লাখ ৭৯ হাজার ১৮১ জন এবং অনিয়মিত ২ লাখ ৬৬ হাজার ২০৮ জন রয়েছেন। এদের মধ্যে কেউ কেউ এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হলে আবারও পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। প্রাইভেট পরীক্ষার্থী ৩ হাজার ৩৯০ জন এবং খারাপ ফলের কারণে ১৬ হাজার ৭২৭ জন পুনরায় পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল।


ছুটি বাড়ছে, এইচএসসির সিদ্ধান্ত আগামী সপ্তাহে


করোনার ভাইরাসের কারণে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আরেক দফায় বাড়ছে। এখন তারিখটা জানিয়ে দেওয়া হবে। আর আটকে থাকা উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) বা সমমান পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত কি হবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আগামী সপ্তাহের সোম বা মঙ্গলবার জানানো হবে।  


আজ বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী । শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি নেই। ছুটি বাড়ছে, বাড়াতে হবেই। এখন তারিখটা জানিয়ে দেওয়া হবে।

করোনাভাইরাসের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি চলছে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি আছে। এমন অবস্থায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জিজ্ঞাসা ছিল ছুটি কি আরও বাড়বে, নাকি খুলে দেওয়া হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।


শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আটকে থাকা এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত কি হবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আগামী সোমবার বা মঙ্গলবার জানিয়ে দেওয়া হবে। তবে যদি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয় তাহলে ৪ সপ্তাহের সময় দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং দ্রুত সময়ে ন্যূনতম বিষয় ও ন্যূনতম নম্বরের ভিত্তিতে পরীক্ষা নেওয়াসহ অনেকগুলো বিকল্প প্রস্তাব ঠিক করা হয়েছে। তবে পরীক্ষা ছাড়াই মূল্যায়ন করা যায় কি না সেই প্রস্তাব এখনই নাকচ করছেন না তারা।


এর আগে করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আরেক দফায় বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। তবে তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা সেসময় জানাননি।


করোনার বাস্তবতায় দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থীর পড়াশোনা অত্যন্ত ঝুঁকিতে পড়েছে। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য বলছে, দেশের মোট শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে পড়ে প্রায় পৌনে দুই কোটি ছেলেমেয়ে। আর মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা সোয়া কোটির কিছু বেশি। বাকিরা শিক্ষার অন্যান্য স্তরে পড়ে। ইতিমধ্যেই তাদের শিক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত


প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এখন নিজ নিজ স্কুলে মূল্যায়নের ভিত্তিতে ওপরের শ্রেণিতে ওঠানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। অবশ্য সেটি নির্ভর করছে কবে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে তার ওপর।


উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষাও আটকে আছে। এই পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল গত এপ্রিলের শুরুতে। কিন্তু এখন কেউ জানে না কবে এই পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। তবে আজকে শিক্ষামন্ত্রী জানালেন আগামী সোম বা মঙ্গলবার ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা জানানো হবে।


এদিকে করোনার কারণে বন্ধ থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও সেশনজট বাড়ছে। বেসরকারি স্কুল-কলেজগুলো পড়ছে আর্থিক সংকটে। যত দিন এই বন্ধ বাড়বে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষতিও তত বাড়বে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে স্কুলপর্যায়ে টিভি ও রেডিও’র মাধ্যমে ক্লাস প্রচার এবং কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাসে গুরুত্ব দেওয়া হলেও তা সেই অর্থে তা কার্যকর হয়নি।

সূত্র: প্রথম আলো

Our Story

Our Story


Bangladesh is changing. It is time for a new generation of Bangladeshis to be heard, for their vision for our country to be promoted. FriDay is here to be the platform for that new voice , and new vision.


FriDay 's editorial team is totally committed to delivering accurate and impartial news , entertainment, educationalsupporting meterial , technical helps with the aim of informing the public debate and enabling Bangladeshis to make educated choices.


FriDay 's pledge to those we serve is to seek the truth, deliver the facts and offer relevant context and analysis where appropriate .


relevant opinions and ensure that no significant strand of thought is neglected.


FriDay will strive to dig where others don’t, give voice to the voiceless. We all hold all quarters who bear a public responsibilitygovernment, corporates, NGO’s and many others – accountable on behalf of you, our audience , and indeed all citizens.


journalism, content crator, prepare news , educational expenditures those are professional, reliable, dependable and transparent.


FriDay seek to enable maximum participation in the national dialog, and to lead to collective decisions that will be driven by a new generation’s vision of the country, not the biases of any political party or coterie.


FriDay are committed to the values at the foundation of this country, in particular, national sovereignty, democracy and secularism and also to building a prosperous , equitable and tolerant society.


FriDay will speak for human and civil rights , not for select groups but for all citizens, but also nurture open and respectful debate on the best ways to attain all such goals.


FriDay 's website is here to offer a canvas for Bangladeshis to showcase their best ideas about cricket, nature, society, education, entertainment, web design , online marketing to help transform the country into a knowledge-based society where citizens can express their creativity and ingenuity.


As a new generation comes of age, and soars to new heights, we wish to be their partners to help Bangladesh make its long-awaited mark in the world as soon as possible. So, be a part of FriDay to buildup a new generation.

Contact Infromations

FriDay

Hathazari, Chittagong, Bangladesh


If you have any question or queries a member of staff will always be happy to help. Feel free to contact us by telephone, mobile, email or facebook & we will be sure to get back to you as soon as possible.


Contact Details

    Robi: 01859569175

    Gp: 01305593692

    E-mail 1: team.bishorgo@gmail.com

    E-mail 2: jakeali488@gmail.com

    Website

Follow us on

    Fan Page

    Facebook Group

    Youtube

Author

Md.Rafsan Ahmed

Contact

Mobile : 01859569175

    Facebook

    Twitter

    Linkdin

Mail: rafsanraj50@gmail.com


এসএসসির ফল ঈদের পর, নিবন্ধন করলে মোবাইলে যাবে ফল


করোনাভাইরাসের কারণে অনিশ্চয়তার মুখে পড়া এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। তবে ঈদের আগে ফল প্রকাশ করা হচ্ছে না বলে আজ মঙ্গলবার প্রথম আলোকে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন।

এবার আরও সহজে আগে আগে খুদে বার্তার মাধ্যমে ফল জানার ব্যবস্থা করেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের জ্যেষ্ঠ সিস্টেম অ্যানালিস্ট মঞ্জুরুল কবীর প্রথম আলোকে বলেন, এ জন্য গতকাল সোমবার থেকে প্রাক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। যারা এই প্রাক নিবন্ধন করবে, তারা প্রথম দিকে ফল পাবে। তবে আগের মতো নির্ধারিত পদ্ধতিতেও খুদে বার্তায় ফল জানা যাবে। নতুন ব্যবস্থায় প্রাক নিবন্ধন করা থাকলে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর মোবাইলে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে। প্রাক নিবন্ধনের জন্য যেকোনো মোবাইল অপারেটরের নম্বর থেকে SSC Board Name (প্রথম তিন অক্ষর) Roll Year লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। প্রতি এসএমএসের জন্য দুই টাকা চার্জ নেওয়া হবে।

গত ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তাতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল প্রায় সাড়ে ২০ লাখ। অন্যদিকে গত ১ এপ্রিল এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর কথা ছিল। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ১৩ লাখের বেশি।

স্বাভাবিক সময় থাকলে এ মাসের প্রথম সপ্তাহের দিকে ফল প্রকাশের কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে তা অশ্চিয়তার মুখে পড়ে। এ অবস্থায় কিছুদিন আগে শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়, চলতি মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হবে। সেই লক্ষ্যেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

সরকারের অনুমতি মিললে যেকোনো দিন ও সময় ফল প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক।


সূত্র : প্রথম আলো

টেকটোনিক প্লেটে ভাঙন, আসবে ভয়াবহ ভূমিকম্প




টেকটোনিক প্লেটে ভাঙন, আসবে ভয়াবহ ভূমিকম্প। ভারত মহাসাগরের নিচের বিশাল টেকটোনিক প্লেট ভেঙে দুই ভাগ হয়ে যাচ্ছে। ফলে ভবিষ্যতে ভয়াবহ ভূমিকম্পের শঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা।

বিজ্ঞান বিষয়ক ওয়েবসাইট লাইভ সায়েন্সে বলা হয়েছে, ভারত-অস্ট্রেলিয়ার মকরাঞ্চলের ওই প্লেটটি প্রতি বছর ০.০৬ মিলিমিটার করে সরে যাচ্ছে। এতে প্লেটটি এক মাইল দূর যেতে ১০ লাখ বছর সময় লাগবে।

গবেষক অরলি কৌদুরিয়ার-কার্ভুর যেমনটি বলছেন, ধীরে সরতে থাকলেও অন্য গ্রহের বাউন্ডারির তুলনায় এটি আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এখনো পানির নিচে আছে, তাই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে না আসলে কী ঘটছে সেখানে।

তবে আপাতত ভয়ের কিছু দেখছেন না বিজ্ঞানীরা। কিন্তু ২০ হাজার বছর বাদে পৃথিবীর ভয়াবহ বিপদের শঙ্কা রয়েছে।

 সূত্র : সময় নিউজ