বিচারহীন আত্মহত্যাই ধর্ষিতার অন্তীম পরিণতি

বিচারহীন আত্মহত্যাই ধর্ষিতার অন্তীম পরিণতি 

র্বত্রই চলছে কাঁদা ছোঁড়াছুড়ি, একদল খাচ্ছে, নাম পড়ছে অন্য জনের। হালের হিসেবে জিহ্বা বসাচ্ছে নাম না জানা অপরিচিত কেউ। চুরি, লুটপাটে ঘর পূর্ণ করে একেকজন বলে,  অ্যাঁ চোরই দেখিনি। 

দক্ষিণে লুটতরাজ, বামে ধর্ষণ, পশ্চিমে কূপিয়েছে কেউ। না, কেউ দেখেনি, প্রতিবাদ করেনি, নিরাপদ দূরত্বে বুলি আওড়িয়েছে আরও অনেকেই। ঘাতকের বিচার অব্ধি পৌঁছায়নি ফেইসবুক জুড়ে আলোচনা-সমালোচনার প্রতিবাদ প্রবাহ। সমাবেশ, প্রতিরোধ ,প্রতিবাদ, মানবতা, আইনকে উপেক্ষা করেই পত্রিকাগুলোর নিত্য নতুন চমৎকৃত বাংলা টাইটেলের মত করে নিত্যদিনই ঘটে চলেছে ধর্ষণ, লুটতরাজ, হত্যার মত অঘটন কিংবা কোন অবাঞ্ছিত ঘটনা।

ফাইল ছবি: ধর্ষিত অসহায় নারী

গেল কয়েক মাসে ১০০ এরও বেশি নারী এবং শিশু ধর্ষিত হয়েছে । কিন্তু সে অনুপাতে বিচার পেয়েছে কজন? কিংবা আদ্বব্ধি হয়ে আসা ধর্ষণেরই বা কজন প্রাপ্য সাজা পেয়েছে? খুব স্বাভাবিক, এই হিসেবটা কোনদিনই মিলেনি আর মিলবেও না। 

বোরকায় আটকাচ্ছে না ধর্ষণের পরিধি, একই হারে লাগামহীন ভাবে বেড়েই চলেছে শিশু ধর্ষণও। দেশ  হয়েছে ঠিকই, কিন্তু স্বাধীনতার ৪৯ বছরেও মানুষ নিজের করে পায়নি প্রত্যাশিত বৈর্ধ অধিকার। ধর্ষণ মহামারিতে দিনের পর দিন বিষিয়ে যাচ্ছে এই মুমূর্ষু  বাঙালী। সরকার, আইন, রক্ষক পকেটে রেখে এক ধর্ষকেই কাটা পড়ে নিরাপত্তার মত মৌলিক অধিকার। একটা মেয়ের নিরাপত্তা নেই পরিবারে, রাস্তায়, বাসে কিংবা কোন কর্মপ্রতিষ্ঠানেও। অরাজকতার এই ধর্ষিত দেশের সর্বত্রই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ধর্ষর্কের বিষাক্ত চোখ। সমস্যাটা আসলে ঠিক কোথায়? এত কিছুর পরেও কেন ধর্ষণের কমানো সম্ভব হচ্ছে না? কিংবা ধর্ষণ রোধে আমাদের করণীয়টা কী?

আমার চোখে ধর্ষণের মূল কারন ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আইনের দুর্বলতা। হ্যাঁ, ক্ষমতার বলেই পুরষ কর্তৃক ধর্ষিত হয় একজন নারী কিংবা মেয়ে। কারন সে খুব ভালো করেই জানে, ক্ষমতার বলে আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে একদিন ঠিকই সে বেড়িয়ে যাবে। সর্বদাই একজন ক্ষমতাবান লোক দ্বারা ধর্ষিত হয় অপেক্ষাকৃত কোন দুর্বল প্রতিপক্ষ। সাংসদীয় আত্মীয় কিংবা দেশ পরিচালনায় পরিবারের কারো উল্লেখযোগ্য অবস্থানঅর্থ সম্পত্তির প্রাচুর্য্য একজনকে ক্ষমতাবান বানিয়ে দেয়, সেই ক্ষমতার ব্যবহারেই ধর্ষক পূর্ণ করে তার অনৈতিক জৈবিক চাহিদা। বিপরীতে অসহায়ত্বের শেকলে আটকে থাকা ধর্ষিতার কপালে জুটে এর চেয়েও বড় সর্বনাশের পূর্বাভাষ। অর্থের দৌরাত্ম্যে বিচারহীন আত্মহত্যা হয় অনেক ধর্ষিতার অন্তীম পরিণতি।

একজন ক্ষমতাবান নারী, ধর্ষকের কাছে আতঙ্কের মত। ধর্ষণ তো দূরে থাক, তাকে ধর্ষকরা সমীহ করে, কারন তারা জানে তার ক্ষমতার ব্যবধি তাদের ঠিক কোথায় নিয়ে যেতে পারে। 


নীতিটা খুব সাধারণ, "অপেক্ষাকৃত দুর্বলেরা ধর্ষিত, নিপিড়িত, নির্যাতিত  হবে।" শোষণের নীতি রপ্ত করে শাসকের মত ধর্ষকরাও ন্যায়নীতি পায়ে ঠেলে ইংরেজ কিংবা পাকিস্তানি বর্বরদের মত দুর্বলের উপর হামলে পরে।

 
কারন, এই দেশে আইন থাকলেও আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন নেই। যেদেশে একজন সাংসদীয় ব্যক্তির হত্যাকান্ডে জড়ীতদের বিচার হতে দুই যুগেরও বেশি সময় চলে যায় সে দেশে ধর্ষণের বিচার কার্যকর হতে পাঁচ, ছয় যুগ এমনিতেই পেরিয়ে যাবে। ক্ষমতা আর আইনের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে দিনেরপর দিন জ্যামিতিক হারে বেড়েই চলেছে ধর্ষণের এই নিদারুণ নৈরাজ্য।   

ধর্ষকের কোন জাতি নেই, কোন পরিচয় নেই! ধর্ষক হলো, হালের এই কঠিন কালে জন্ম নেওয়া মানুষরূপী বিষধর নর দানব। ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের ঘোষণাকে সাধুবাদ জানাই। এরই সাথে  স্বল্পতম সময়ে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য আহ্বান করছি। ধর্ষক প্রমাণিত হওয়ার পরিপেক্ষিতে, ১ থেকে সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করতে পারলে অচীরেই ধর্ষণের হার অনেকাংশে কমে আসবে। আইনি জটিলতায় ধর্ষকের বিচার যেন আটকে না যায় সে ব্যাপারে সার্বক্ষণিক নজরদারী সহ বিশেষ ট্রাইবুনালে বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে।

তুমি নিপিড়িত, অত্যাচারিত, নিগৃহীত, ধর্ষিত হলে, কেবল  ক্ষমতায়িত হওয়ার পরই তুমি বিচার পেতে পার, কিংবা প্রতিপক্ষকে দাঁড়া করাতে পার হিসেবের কাঠগড়ায় । মাটির উপরে তোমার নিরাপত্তা নেই মেয়ে, যদি পার প্রতিরোধ কর। নিজেকে রক্ষায় নিজের সর্বোচ্চটুকু দাও, ধর্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে সশস্ত্রে রুখে দাড়াও। একজন ধর্ষক মরে গেলে দেশের কোনকিছু আসবে যাবে না, তবে তোমাকে কিন্তু পৃথিবীর ভীষণ প্রয়োজন।

লেখক: মো. রাফছান আহমেদ
শিক্ষার্থী, মেরিন সায়েন্স, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় 
মোবাইল: 01859569175

অপেক্ষাকৃত দুর্বলেরা ধর্ষিত, নিপিড়িত, নির্যাতিত হবে!

বিচারহীন আত্মহত্যাই ধর্ষিতার অন্তীম পরিণতি 

র্বত্রই চলছে কাঁদা ছোঁড়াছুড়ি, একদল খাচ্ছে, নাম পড়ছে অন্য জনের। হালের হিসেবে জিহ্বা বসাচ্ছে নাম না জানা অপরিচিত কেউ। চুরি, লুটপাটে ঘর পূর্ণ করে একেকজন বলে,  অ্যাঁ চোরই দেখিনি। 

দক্ষিণে লুটতরাজ, বামে ধর্ষণ, পশ্চিমে কূপিয়েছে কেউ। না, কেউ দেখেনি, প্রতিবাদ করেনি, নিরাপদ দূরত্বে বুলি আওড়িয়েছে আরও অনেকেই। ঘাতকের বিচার অব্ধি পৌঁছায়নি ফেইসবুক জুড়ে আলোচনা-সমালোচনার প্রতিবাদ প্রবাহ। সমাবেশ, প্রতিরোধ ,প্রতিবাদ, মানবতা, আইনকে উপেক্ষা করেই পত্রিকাগুলোর নিত্য নতুন চমৎকৃত বাংলা টাইটেলের মত করে নিত্যদিনই ঘটে চলেছে ধর্ষণ, লুটতরাজ, হত্যার মত অঘটন কিংবা কোন অবাঞ্ছিত ঘটনা।

ফাইল ছবি: ধর্ষিত অসহায় নারী

গেল কয়েক মাসে ১০০ এরও বেশি নারী এবং শিশু ধর্ষিত হয়েছে । কিন্তু সে অনুপাতে বিচার পেয়েছে কজন? কিংবা আদ্বব্ধি হয়ে আসা ধর্ষণেরই বা কজন প্রাপ্য সাজা পেয়েছে? খুব স্বাভাবিক, এই হিসেবটা কোনদিনই মিলেনি আর মিলবেও না। 

বোরকায় আটকাচ্ছে না ধর্ষণের পরিধি, একই হারে লাগামহীন ভাবে বেড়েই চলেছে শিশু ধর্ষণও। দেশ  হয়েছে ঠিকই, কিন্তু স্বাধীনতার ৪৯ বছরেও মানুষ নিজের করে পায়নি প্রত্যাশিত বৈর্ধ অধিকার। ধর্ষণ মহামারিতে দিনের পর দিন বিষিয়ে যাচ্ছে এই মুমূর্ষু  বাঙালী। সরকার, আইন, রক্ষক পকেটে রেখে এক ধর্ষকেই কাটা পড়ে নিরাপত্তার মত মৌলিক অধিকার। একটা মেয়ের নিরাপত্তা নেই পরিবারে, রাস্তায়, বাসে কিংবা কোন কর্মপ্রতিষ্ঠানেও। অরাজকতার এই ধর্ষিত দেশের সর্বত্রই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ধর্ষর্কের বিষাক্ত চোখ। সমস্যাটা আসলে ঠিক কোথায়? এত কিছুর পরেও কেন ধর্ষণের কমানো সম্ভব হচ্ছে না? কিংবা ধর্ষণ রোধে আমাদের করণীয়টা কী?

আমার চোখে ধর্ষণের মূল কারন ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আইনের দুর্বলতা। হ্যাঁ, ক্ষমতার বলেই পুরষ কর্তৃক ধর্ষিত হয় একজন নারী কিংবা মেয়ে। কারন সে খুব ভালো করেই জানে, ক্ষমতার বলে আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে একদিন ঠিকই সে বেড়িয়ে যাবে। সর্বদাই একজন ক্ষমতাবান লোক দ্বারা ধর্ষিত হয় অপেক্ষাকৃত কোন দুর্বল প্রতিপক্ষ। সাংসদীয় আত্মীয় কিংবা দেশ পরিচালনায় পরিবারের কারো উল্লেখযোগ্য অবস্থান, অর্থ সম্পত্তির প্রাচুর্য্য একজনকে ক্ষমতাবান বানিয়ে দেয়, সেই ক্ষমতার ব্যবহারেই ধর্ষক পূর্ণ করে তার অনৈতিক জৈবিক চাহিদা। বিপরীতে অসহায়ত্বের শেকলে আটকে থাকা ধর্ষিতার কপালে জুটে এর চেয়েও বড় সর্বনাশের পূর্বাভাষ। অর্থের দৌরাত্ম্যে বিচারহীন আত্মহত্যা হয় অনেক ধর্ষিতার অন্তীম পরিণতি।

একজন ক্ষমতাবান নারী, ধর্ষকের কাছে আতঙ্কের মত। ধর্ষণ তো দূরে থাক, তাকে ধর্ষকরা সমীহ করে, কারন তারা জানে তার ক্ষমতার ব্যবধি তাদের ঠিক কোথায় নিয়ে যেতে পারে। 


নীতিটা খুব সাধারণ, "অপেক্ষাকৃত দুর্বলেরা ধর্ষিত, নিপিড়িত, নির্যাতিত  হবে।" শোষণের নীতি রপ্ত করে শাসকের মত ধর্ষকরাও ন্যায়নীতি পায়ে ঠেলে ইংরেজ কিংবা পাকিস্তানি বর্বরদের মত দুর্বলের উপর হামলে পরে।

 
কারন, এই দেশে আইন থাকলেও আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন নেই। যেদেশে একজন সাংসদীয় ব্যক্তির হত্যাকান্ডে জড়ীতদের বিচার হতে দুই যুগেরও বেশি সময় চলে যায় সে দেশে ধর্ষণের বিচার কার্যকর হতে পাঁচ, ছয় যুগ এমনিতেই পেরিয়ে যাবে। ক্ষমতা আর আইনের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে দিনেরপর দিন জ্যামিতিক হারে বেড়েই চলেছে ধর্ষণের এই নিদারুণ নৈরাজ্য।   

ধর্ষকের কোন জাতি নেই, কোন পরিচয় নেই! ধর্ষক হলো, হালের এই কঠিন কালে জন্ম নেওয়া মানুষরূপী বিষধর নর দানব। ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের ঘোষণাকে সাধুবাদ জানাই। এরই সাথে  স্বল্পতম সময়ে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য আহ্বান করছি। ধর্ষক প্রমাণিত হওয়ার পরিপেক্ষিতে, ১ থেকে সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে ধর্ষকের মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করতে পারলে অচীরেই ধর্ষণের হার অনেকাংশে কমে আসবে। আইনি জটিলতায় ধর্ষকের বিচার যেন আটকে না যায় সে ব্যাপারে সার্বক্ষণিক নজরদারী সহ বিশেষ ট্রাইবুনালে বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে।

তুমি নিপিড়িত, অত্যাচারিত, নিগৃহীত, ধর্ষিত হলে, কেবল  ক্ষমতায়িত হওয়ার পরই তুমি বিচার পেতে পার, কিংবা প্রতিপক্ষকে দাঁড়া করাতে পার হিসেবের কাঠগড়ায় । মাটির উপরে তোমার নিরাপত্তা নেই মেয়ে, যদি পার প্রতিরোধ কর। নিজেকে রক্ষায় নিজের সর্বোচ্চটুকু দাও, ধর্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে সশস্ত্রে রুখে দাড়াও। একজন ধর্ষক মরে গেলে দেশের কোনকিছু আসবে যাবে না, তবে তোমাকে কিন্তু পৃথিবীর ভীষণ প্রয়োজন।

লেখক: মো. রাফছান আহমেদ
শিক্ষার্থী, মেরিন সায়েন্স, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় 
মোবাইল: 01859569175

এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল, জেএসসি-এসএসসি মূল্যায়নে ফল

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে এবার উচ্চমাধ্যমিক তথা এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। জেএসসিএসএসসি পরীক্ষার ফল মূল্যায়ন করেই এইচএসসির ফলাফল নির্ধারণ করা হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।


বুধবার (৭ অক্টোবর) এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এসব কথা বলেন।



এ সময় উপস্থিত ছিলেন- শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহাবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হকসহ সকল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, ‘এইচএসসি পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে পরীক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তাদের কাছে আমরা মতামত ও পরামর্শ নিয়েছি। পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে বিশ্বের অনেক দেশের পরিস্থিতি দেখে আমরা ২০২০ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সরাসরি পরীক্ষা বাতিল করে পরীক্ষার্থীদের জেএসসি-জেডিসি এবং এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ওপর মূল্যায়ন করে গ্রেড নম্বর নির্ধারণ করা হবে।


শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কী পদ্ধতিতে গ্রেড নির্ধারণ করা হবে সেটি নির্ধারণ ও পরামর্শের জন্য সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, শিক্ষা বোর্ড ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করা হবে। তাদের আগামী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে প্রতিবেদন দিতে বলা হবে। এর ভিত্তিতে ডিসেম্বরে এইচএসসি-সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

অনেকে এক, দুই বিষয়ে বা পুরো ফলাফল আশানুরূপ না হওয়ায় পুনরায় পরীক্ষা দেয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিল, তাদের ক্ষেত্রে কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে এমন প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সকল শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে একইভাবে মূল্যায়ন করে তাদের গ্রেড নম্বর দেয়া হবে। তবে কীভাবে তা দেয়া হবে তা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার ফল খারাপ হলেও এইচএসসি পরীক্ষায় অনেকে ভালো প্রস্তুতি নিয়েছিল তাদের ক্ষেত্রে কী হবে এমন প্রশ্নের উত্তরে দীপু মনি বলেন, ‘কী করার ছিল, কি ছিল না তা ভেবে লাভ নেই। সারাবিশ্বে এখন বেঁচে থাকার লড়াই চলছে, এর মধ্যে পরীক্ষা নিয়ে আমরা কাউকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে চাই না। এসব বিষয় বিবেচনা করে আমরা আগের ফলাফলের ভিত্তিতে এইচএসসি-সমমান পরীক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘সরাসরি পরীক্ষা না নিলেও আমরা আন্তর্জাতিক পদ্ধতিতে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করতে কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ফল প্রকাশের পর দেশ-বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে শিক্ষার্থীদের কোনো সমস্যায় পড়তে হবে না। তবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কী পদ্ধতিতে ভর্তি করা হবে সেই বিষয়েও টেকনিক্যাল কমিটির কাছে পরামর্শ নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।’

এবার এইচএসসি-সমমান পরীক্ষায় ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৬৮৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণের কথা ছিল। এর মধ্যে নিয়মিত ১০ লাখ ৭৯ হাজার ১৮১ জন এবং অনিয়মিত ২ লাখ ৬৬ হাজার ২০৮ জন রয়েছেন। এদের মধ্যে কেউ কেউ এক-দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হলে আবারও পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল। প্রাইভেট পরীক্ষার্থী ৩ হাজার ৩৯০ জন এবং খারাপ ফলের কারণে ১৬ হাজার ৭২৭ জন পুনরায় পরীক্ষা দেয়ার কথা ছিল।


ছুটি বাড়ছে, এইচএসসির সিদ্ধান্ত আগামী সপ্তাহে


করোনার ভাইরাসের কারণে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আরেক দফায় বাড়ছে। এখন তারিখটা জানিয়ে দেওয়া হবে। আর আটকে থাকা উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) বা সমমান পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত কি হবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আগামী সপ্তাহের সোম বা মঙ্গলবার জানানো হবে।  


আজ বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে ভার্চুয়াল মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী । শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো পরিস্থিতি নেই। ছুটি বাড়ছে, বাড়াতে হবেই। এখন তারিখটা জানিয়ে দেওয়া হবে।

করোনাভাইরাসের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি চলছে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি আছে। এমন অবস্থায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জিজ্ঞাসা ছিল ছুটি কি আরও বাড়বে, নাকি খুলে দেওয়া হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।


শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আটকে থাকা এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত কি হবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আগামী সোমবার বা মঙ্গলবার জানিয়ে দেওয়া হবে। তবে যদি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয় তাহলে ৪ সপ্তাহের সময় দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং দ্রুত সময়ে ন্যূনতম বিষয় ও ন্যূনতম নম্বরের ভিত্তিতে পরীক্ষা নেওয়াসহ অনেকগুলো বিকল্প প্রস্তাব ঠিক করা হয়েছে। তবে পরীক্ষা ছাড়াই মূল্যায়ন করা যায় কি না সেই প্রস্তাব এখনই নাকচ করছেন না তারা।


এর আগে করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আরেক দফায় বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। তবে তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা সেসময় জানাননি।


করোনার বাস্তবতায় দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থীর পড়াশোনা অত্যন্ত ঝুঁকিতে পড়েছে। বাংলাদেশ শিক্ষা তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য বলছে, দেশের মোট শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে পড়ে প্রায় পৌনে দুই কোটি ছেলেমেয়ে। আর মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা সোয়া কোটির কিছু বেশি। বাকিরা শিক্ষার অন্যান্য স্তরে পড়ে। ইতিমধ্যেই তাদের শিক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত


প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা এবং জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এখন নিজ নিজ স্কুলে মূল্যায়নের ভিত্তিতে ওপরের শ্রেণিতে ওঠানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। অবশ্য সেটি নির্ভর করছে কবে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে তার ওপর।


উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষাও আটকে আছে। এই পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল গত এপ্রিলের শুরুতে। কিন্তু এখন কেউ জানে না কবে এই পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। তবে আজকে শিক্ষামন্ত্রী জানালেন আগামী সোম বা মঙ্গলবার ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা জানানো হবে।


এদিকে করোনার কারণে বন্ধ থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও সেশনজট বাড়ছে। বেসরকারি স্কুল-কলেজগুলো পড়ছে আর্থিক সংকটে। যত দিন এই বন্ধ বাড়বে স্বাভাবিকভাবেই ক্ষতিও তত বাড়বে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে স্কুলপর্যায়ে টিভি ও রেডিও’র মাধ্যমে ক্লাস প্রচার এবং কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাসে গুরুত্ব দেওয়া হলেও তা সেই অর্থে তা কার্যকর হয়নি।

সূত্র: প্রথম আলো

এসএসসির ফল ঈদের পর, নিবন্ধন করলে মোবাইলে যাবে ফল


করোনাভাইরাসের কারণে অনিশ্চয়তার মুখে পড়া এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। তবে ঈদের আগে ফল প্রকাশ করা হচ্ছে না বলে আজ মঙ্গলবার প্রথম আলোকে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন।

এবার আরও সহজে আগে আগে খুদে বার্তার মাধ্যমে ফল জানার ব্যবস্থা করেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের জ্যেষ্ঠ সিস্টেম অ্যানালিস্ট মঞ্জুরুল কবীর প্রথম আলোকে বলেন, এ জন্য গতকাল সোমবার থেকে প্রাক নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। যারা এই প্রাক নিবন্ধন করবে, তারা প্রথম দিকে ফল পাবে। তবে আগের মতো নির্ধারিত পদ্ধতিতেও খুদে বার্তায় ফল জানা যাবে। নতুন ব্যবস্থায় প্রাক নিবন্ধন করা থাকলে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর মোবাইলে ফল জানিয়ে দেওয়া হবে। প্রাক নিবন্ধনের জন্য যেকোনো মোবাইল অপারেটরের নম্বর থেকে SSC Board Name (প্রথম তিন অক্ষর) Roll Year লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। প্রতি এসএমএসের জন্য দুই টাকা চার্জ নেওয়া হবে।

গত ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তাতে মোট পরীক্ষার্থী ছিল প্রায় সাড়ে ২০ লাখ। অন্যদিকে গত ১ এপ্রিল এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর কথা ছিল। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ১৩ লাখের বেশি।

স্বাভাবিক সময় থাকলে এ মাসের প্রথম সপ্তাহের দিকে ফল প্রকাশের কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে তা অশ্চিয়তার মুখে পড়ে। এ অবস্থায় কিছুদিন আগে শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে বলা হয়, চলতি মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হবে। সেই লক্ষ্যেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

সরকারের অনুমতি মিললে যেকোনো দিন ও সময় ফল প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক।


সূত্র : প্রথম আলো

টেকটোনিক প্লেটে ভাঙন, আসবে ভয়াবহ ভূমিকম্প




টেকটোনিক প্লেটে ভাঙন, আসবে ভয়াবহ ভূমিকম্প। ভারত মহাসাগরের নিচের বিশাল টেকটোনিক প্লেট ভেঙে দুই ভাগ হয়ে যাচ্ছে। ফলে ভবিষ্যতে ভয়াবহ ভূমিকম্পের শঙ্কা করছেন বিজ্ঞানীরা।

বিজ্ঞান বিষয়ক ওয়েবসাইট লাইভ সায়েন্সে বলা হয়েছে, ভারত-অস্ট্রেলিয়ার মকরাঞ্চলের ওই প্লেটটি প্রতি বছর ০.০৬ মিলিমিটার করে সরে যাচ্ছে। এতে প্লেটটি এক মাইল দূর যেতে ১০ লাখ বছর সময় লাগবে।

গবেষক অরলি কৌদুরিয়ার-কার্ভুর যেমনটি বলছেন, ধীরে সরতে থাকলেও অন্য গ্রহের বাউন্ডারির তুলনায় এটি আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এখনো পানির নিচে আছে, তাই স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে না আসলে কী ঘটছে সেখানে।

তবে আপাতত ভয়ের কিছু দেখছেন না বিজ্ঞানীরা। কিন্তু ২০ হাজার বছর বাদে পৃথিবীর ভয়াবহ বিপদের শঙ্কা রয়েছে।

 সূত্র : সময় নিউজ

করোনা থেকে বাঁচার উপায় একটাই!




তঙ্ক, মহামারি, অবরুদ্ধ চারপাশে আটকে গেছে ধ্বংসালী মনবতা। সাড়ে তিন হাত দূরের এই বিশেষণ তল কি ভীষণ ভাবেই না আগলে ধরছে মৃত লাশ।সময় অসময়ের দীর্ঘসূত্রতায় আরও দীর্ঘতর  হচ্ছে লাশের শারি। ভাই, ভাইয়ের সম্পর্কে সৃষ্টি হয়েছে কাঠের দেয়াল, আকস্মাৎ থমকে গেছে জনতা, ঘরবন্ধি হয়েছে কোটি কোটি শ্রমবাহিনী শরীর। হ্যাঁ, করোনা ভাইরাস, একটি আতঙ্ক, ভয় আর বিস্ময়ের নাম! মহাকাশজয়ী উচ্চতর বিজ্ঞান, বহুবছরের ভূবন বিখ্যাত চিকিৎসা সাস্ত্র আর তাবুত পৃথিবীর জ্ঞান-বিজ্ঞানবিদ সবাই ব্যর্থ এক সামান্য করোনায়। হাজার মাইল বেগে ধেয়ে চলা দ্রুত গতির বুলেট ট্রেনও আজ অচল। কোটি টাকার অতি অত্যাধুনিক প্রযুক্তিও মাথা ঠেকিয়েছে এই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র দুর্বল কিটে। অপন রক্ত ছেড়ে যাচ্ছে আপন হৃদয়, পাশে থেকেও বাড়ছে কাছে থাকার দূরত্ব। এক অজানা অশংকায় ভীতসন্ত্রস্ত পুরো মানব সমাজ। বিশ্বজয়ী, সবুজ পৃথিবীর নিয়ন্ত্রক বলবীর মানুষের কর্তৃত্ব টুটে যাচ্ছে ঘাতক করোনাতেই! এক ভাইরাসেই কুপকাত নাম খেলানো বড় ডাক্তার, দুমড়ে মুচড়ে গেছে নামজাদা চাটুকারদের আমিত্নের দম্ভ! একটু একটু করে হুস ফিরেছে মানবতার প্রাণে। এক করোনায় এসে মিলিত হয়েছে বড়-ছোট, উঁচু - নিচুর বাধা ব্যবধান। আরও একবার স্রষ্টায় বিশ্বাসের প্রয়োজনবোধ জন্মেছে বর্বর, স্বার্থপরায়ণ মানব হৃদয়ে। অহিংসা, ভাতৃত্ব ফের এসেছে মহামারী আতঙ্কের ডেরায়। মানুষ বুঝতে শিখেছে প্রকৃতিবাদ কিংবা প্রকৃতিস্থ নানাবিধ পার্শপ্রতিক্রিয়া।

মৃত্যুবাণে দুর্বার প্রতাপে এগিয়ে চলা করোনাকে থামানো যাচ্ছেনা কোনো ক্রমেই। অবিরাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়িয়ে চলেছে তার শিকারের সংখ্যা। অনিঃশেষ ধেয়ে চলা এই করোনার আজ পৃথিবীময় রাজত্ব। মানুষ মরবেই, মরবে প্রতিবেশিরাও। প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে, জেনে না জেনে প্রকৃতির যে ক্ষতি মানবজাতি করেছে, কয়টা লাশে তার প্রায়শ্চিত্ত করবে মানুষ? "নেচার উইল রিভেন্জ" নামক তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেওয়া ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বাক্যটা আজ আমাদের গলায় বিঁধেছে মারণকাটা হয়ে। করোনা নামে মানব জাতির গুপণ, প্রকাশ্য সকল অপকর্মের প্রায়শ্চিত্তের যোজন বিয়োজনের  চুলচেরা হিসেব নিতেই প্রকৃতির এই অদ্ভুত খেয়াল। প্রকৃতিকে বাঁচাতে হবে, প্রকৃতি বাঁচলেই বেঁচে যাবে মানুষ, রেহাই পাবে করোনা, পূর্ণ হবে প্রায়শ্চিত্ত।

, ৪, ৮ এর যে গুণত্বের ধারায় অনবরত বেড়ে চলেছে লাশের সংখ্যা, প্রকৃতির যে করুণ খেয়ালে ধসে পড়ছে বিশ্ব অর্থনীতি, সে করোনাকে রুখে দেবার সাধ্যি আমাদের কোনো কালেই হয়নি। স্রষ্টার অনুগ্রহের বিপরীতেই যে মুক্তি তা আমাদের মেনে নিতেই হবে, মেনে নিতে বাধ্য। তাই আতঙ্কিত নয়, সতর্ক হওয়া প্রয়োজন আমাদের করণীয় কর্মকান্ডে, কর্তব্যে, প্রয়োজনে। জেনে নেওয়া দরকার সঠিক করণীয় কিংবা কোনটা করা উচিৎ। সময় অসময়ের কিছু পছন্দ, সখ, আর ভালো লাগার বলিদান দিতে হবে মানবতার প্রয়োজনে। আত্নসাৎ, স্বার্থসিদ্ধি, চাটুকার, অপচয়, হিংসার নষ্টামি বন্ধ করে কাজ করতে হবে হাতে হাতে, পথে পান্তরে, মাঠে ঘাটে। তাবুত অপকর্ম প্রতিস্থাপিত করতে হবে জীবন রক্ষাকারী মহিমান্বিত গুণে। অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে স্রষ্টার দেওয়া ধর্মীয় বিধি নিশেধ। হাটতে হবে সমবায়, সমান, সমতার পথে। ভুলতে হবে বড় ছোটর বাধা ব্যবধান। কারণ, স্রষ্টা বৈসম্যে বিশ্বাস করেন না। সর্বোপরি, সঠিক পথে চলে নিজ নিজ কর্মগুণে আর্জন করতে হবে ইহলৌকিক ও পরলৌকিক সমৃদ্ধি।